Bangla sms Bangla sms New bangla sms collection

জীবনে কাউকে বেশী গুরুত্ব দিতে
নেই। আপনি যাকে বেশী গুরুত্ব
দিবেন, তার কাছেই আপনি বেশী
গুরুত্বহীন হয়ে যাবেন। তার
গুরুত্বহীনতাই আপনাকে সবচেয়ে
বেশী কষ্ট দিবে।

নদী=স্ত্রী লিঙ্গ
সাগর=পুং লিঙ্গ
নদী এসে সাগরের সাথে মিলিত
হয়
অতএব প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী সব
মেয়েদের উচিৎ ছেলেদের
প্রোপজ করা।
এক চোখ কখনো অন্য চোখ কে
দেখতে
পায়না তবুও এক চোখের কিছু হলে
অন্য চোখ অশ্রু না ঝরিয়ে পারেনা।
বন্ধু হলে এমনি হওয়া উচিত!

জীবনটা আজ সাদা
পাতা…লেখার কিছুই
নেই,মরুভূমিতে দাড়িয়ে
আছি…পুরোনো আমি সেই। হটাৎ
করে কেনো আজ,কাঁদে আমার
মন…পিছন ফিরে তাকিয়ে
দেখি…হারিয়ে গেছে আমার
আপনজন!!

ভালোবাসা হলো- এমন একটি মায়া ,,
তুমি যত দূরে যাবে,, ততোই কাছে
টানবে।
যত ভুলে যাবে,, ততোই মনে পড়বে।
আর যত’টুকু হাসবে,, তার থেকে বেশি
কাঁদবে ।

একটা সময় হারিয়ে যায়..
অনেক সময়ের মাঝে…
একটা সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়..
একটা কথার ভুলে,….
একটা মন ভেঙে যায়….
ছোট্টো অপমানে….
একটা জীবন শেষ হয়ে যায়…
একটু অভিমানে..

অতিরিক্ত মন খারাপ হলে মানুষ
একেবারে নীরব নিথর হয়ে যায়।
একা থাকতে ভালোবাসে। কারণ
তখন তার সমস্যাকে নিজের মত
করে কেউ
দেখে না কিংবা মূল্যায়ন করে না।
তাই মন খারাপের বেলায়
একাকীত্বই হয় মানুষের একমাত্র
সঙ্গী

সবাই সবার কেরিয়ার নিয়া ব্যাস্ত।
তুমি আমাকে এমনটা ভালোবাসা দিলে যে তাতে কষ্ট ছাড়া আর কিছু পেলাম না।
তবুও ভালো তো আমি কি কারো কিছু হই নাকি।
ছলনাময়ী মেয়ে তুমি।

___ভালোবাসা এই নয় শরীরের টানে
এক বিছানায় শোয়া।
___ভালোবাসা এই নয় তোমার মতে
নিজেকে মানিয়ে নেয়া।
___ভালোবাসা এই নয় সপ্তাহ শেষে
নিয়ম মাফিক দেখা করা।
___ভালোবাসা এই নয় কোনো
ডাইরিতে প্রেমের কাব্য লেখা।
___ভালোবাসা এই নয় তোমার শরীরে
আমার পাশবিক থাবা।
___ভালোবাসা এই নয় জোর পূর্বক
আমাকে করানো তোমার সেবা।
___ভালোবাসা এই নয় দুজন মিলে
প্রতিযোগে মেতে ওঠা।
___ভালোবাসা এই নয় তোমায় ফেলে
তোমার টাকার পেছনে ছোটা।
___ভালোবাসা হল আমার তোমার
সংশয়হীন কথা।
___ভালোবাসা হল আমার বিরহে
তোমার বুকের ব্যথা।
___ভালোবাসা হল তোমাকে
লুকিয়ে তোমার মুখটি দেখা।
___ভালোবাসা হল তোমাকে
হাসাতে আমার বেঁচে থাকা।
___ভালোবাসা হল তোমাকে ভুলতে
চেয়ে তোমাকেই ভালোবাসা।
___ভালোবাসা হল সব থেকে প্রিয়
তোমার চোখের ভাষা বোঝা ।
___ভালোবাসা হল আমায় ছেড়ে
গেছো তবু আমার মনে তোমার ছায়া ।
___ভালোবাসা হল সুখী হয়ে নিজে
তোমাকে সুযোগ দেয়া।
“”এটাই সত্যিকারের “”‘ ভালবাসা

সাফল্যের ৩টি শর্তঃ –
-অন্যের থেকে বেশী জানুন!
-অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন!
-অন্যের থেকে কম আশা করুন!

ভালবাসা কাকে বলে তাতো
জানিনা,তাইতো কাউকে
ভালবাসিনা,,কি ভাবে Propose
করতে হয় তাতো জানিনা,,,তাই
কাউকে Propose করিনা।।।
But কারো অপেক্ষায় আছি,,
যে নিজে এসে বলবে,।।্্্
“আই Love ইউ”

সুন্দর বলে কাউকে ভালো বেসো না।
সুন্দর মনের মানুষকে ভালো বাসো।
জীবনটা এমনিতেই সুন্দর হবে।

ভালোবাসা তার জন্য যে
ভালোবাসতে
জানে।
মন তাকে দেওয়া যায় যে অনুভব
করতে
জানে।
বিশ্বাস তাকে কর যে রাখতে
জানে।
আর ভালোবাসো তাকে যে
ভালোবাসা
দিতে জানে।

পৃথিবীতে ভালবাসার কোন দাম নেই,
সবাই সুন্দর মানুষ খুঁজে..
কিন্তু সুন্দর মন কেউ খুঁজে না..
একটা কথা মনে রেখো,
রূপ এক দিনের..
কিন্তু ভালবাসা চিরদিনের…!

একটা সময় তোরে আমার সবই ভাবিতাম ,
তোরে মন পিঞ্জরে যতন করে আগলাইয়া রাখতাম।
তোর হাসি মুখের ছবি দেইখা দুঃখ পুষাইতাম ,
তুই কানলে পরে কেমন করে হারাইয়া যাইতাম।

যদি ভাগ্য বলে কিছু আছে বিশ্বাস করো তবে কখনো কাউকে ছোট করোনা, কাউকে অপমান করোনা, কাউকে কষ্ট দিওনা। কারন ভাগ্য খুব ভালো প্রতিশোধ নিতে জানে।।।

Bangla sms is the most interesting matter both boys and girls. Especially who love each other it is a common for their.

“যদি কোনো মানুষ সব সময় নীরব থাকে,
এর মানে এটা না যে,
সে মজা করতে পারে না ।
এর মানে এটা যে জীবন তাকে এমন কিছু
শিখিয়েছে,
যা তাকে নীরব বানিয়ে দিয়েছে ।”

প্রত্যেকটা মধুর সম্পর্ক নষ্ট হয় তৃতীয় ব্যক্তির আগমনে। দু জনের কানাকানি কথার মধ্যে অন্য কেউ এসে হানাহানি করলে হৃদয় নিয়ে আসলেই টানাটানি লেগে যায়।

অল্প বয়সে কাউকে পাওয়ার আশায়
নিজের জীবন নষ্ট করাটা নেহাত বোকামি।
তুমি নিজের মত করে তোমার
জীবন সাজাও।
সময় বলে দেবে তুমি কার হবে
এবং কে হবে তোমার।

আজ হলো সেই দিন,
সুখ পেলাম যত!
আজ হলো সেই দিন,
বুকে পেলাম ক্ষত!
আজকের এই দিনে,
আপন হলো পর!
আজকের এই দিনে,
ভাঙলো এই অন্তর!

কারো সাথে নাইট ক্লাবে রাত কাটানোর
নাম ভালোবাসা না।
কারো সাথে জীবনের সব রাত কাটানোর
ইচ্ছার নাম ভালোবাসা।
কারো ফেসবুক টাইমলাইনে ‘বেবি,হানি,
জানু,সোনা, সুইটি’ লেখার
নাম ভালোবাসা না।
কারো জীবনের টাইমলাইনের প্রতিটা
ক্ষেত্রে নিজেকে জড়িয়ে নেয়ার
নাম ভালোবাসা।
কারোর জন্য পড়াশোনা বাদ দিয়ে
দিনরাত মোবাইলে ন্যাকা ন্যাকা কথা
বলার নাম ভালোবাসা না।
কারোকে সারাজীবনের জন্য পাওয়ার আশায়,
পড়াশোনা করে নিজেকে তার বাবা মায়ের
চোখে যোগ্য করে তোলার নাম
ভালোবাসা।…..!!

ভালবাসা কি?তপ্ত মরুর বালুর শিখা,ভালবাসা কি?নদীর স্রোতে ভাসমান কোনো ণৌকা,ভালবাসা কি?ভেসে আসা কোনো সুখের ভেলা, ভালবাসা কি?দুখের মাঝে হাসি মিশ্রিত কান্না, ভালবাসা কি? কোনো এক অজানা ঠিকানা?

বিবাহিত অথবা অবিবাহিত, সবার পড়া উচিৎ।
এক রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর আমার
স্ত্রি প্রতিদিনের মত আমাকে নিয়ে রাতের খাবার
খেতে বসলো। তখন আমি তার হাতটি জড়িয়ে ধরলাম
এবং বললাম, “আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।”
সে আমার চোখের দিকে শান্ত ভাবে তাকালো…
আমি বুঝতে পারছিলাম
না যে তাকে আমি কথাগুলো কিভাবে বলবো। কিন্তু
তাকে আমার জানানো উচিৎ যে, আমি তার সাথে আর
সংসার করতে চাই না। আমি খুব ধীরে,
শান্তভাবে বিষয়টি তুললাম। সে আমার কথায়
কোনরকম বিরক্ত প্রকাশ
না করে ধীরে ধীরে জিজ্ঞেস করল, “কেন?”
আমি তার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলাম। এতে সে রেগে গেলো।
টেবিলের উপর থেকে সবকিছু ছুড়ে ফেলে দিয়ে চিৎকার
করে বললো, “তুমি একটা কাপুরুষ।” সেই রাতে আমাদের
আর কথা হল না। সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো।
হয়তো ও বুঝার চেষ্টা করছিল কেন
আমি এমনটা চাইলাম। কিন্তু
আমি তাকে বলতে পারিনি যে, আমি আর
একটা মেয়েকে ভালোবেসে ফেলেছি।
আমি নিজেকে খুব অপরাধী মনে করেছিলাম, আর ঐ
অপরাধবোধ নিয়েই আমি ডিভোর্স লেটার লিখলাম,
যেখানে উল্লেখ ছিল, আমাদের বাড়ি, আমাদের গাড়ি,
এবং আমার ব্যবসায়ের ৩০% এর মালিক সে হবে। তার
হাতে কাগজটি যাওয়ার
সাথে সাথে ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ফেললো।
যে মানুষটার সাথে আমি ১০ টা বছর সংসার করলাম,
আজকে আমি তাকেই আর চিনি না। তার এতগুল সময়,
সম্পদ, এবং শক্তি নষ্ট করার জন্য আমার খুব খারাপ
লাগছিলো, কিন্তু এখন আমি আর তাকে ফেরত
নিতে পারবো না কারণ, আমি ফারহানা কে
ভালোবাসি।
অবশেষে সে আমার সামনে চিৎকার
করে কান্না করে দিল, যা আমি আশা করছিলাম। আমার
কাছে তার কান্না একরকম মুত্তির চিহ্নের মত
লাগছিল। তখন মনে হচ্ছিল, এবার আমি আসলেও
সফল।
পরের দিন, আমি অনেক দেরী করে বাসায় ফিরি।
দরজায় ঢুকতেই দেখি, ও ডাইনিং রুমে টেবিলে কিছু
লিখছিল। আমি আর খাবার খেতে গেলাম
না এবং সরাসরি ঘুমাতে চলে গেলাম, কারণ সারাদিন
ফারহানাকে নিয়ে অনেক ঘুরেছি এবং এখন
আমি ক্লান্ত। আমি ঘুমিয়ে গেলাম। যখন আমার ঘুম
ভাঙ্গলো, তখনো ও লিখছিল। আমি গ্রাহ্য করলাম
না এবং আবার ঘুমিয়ে পরলাম।
সকালে সে আমাকে কিছু শর্ত দিল, যেখানে লেখা
ছিল,
“আমি তোমার থেকে কিছুই চাইনা, কিন্তু
আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে শুধু এক মাস সময় চাই। এই
একমাসে আমরা জতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক জীবন জাপন
করবো, কারণ আর একমাস বাদেই আমাদের ছেলেটার
পরীক্ষা। ওর যাতে কোন ক্ষতি না হয় তাই
আমি এমনটা চাইছি।”
আমি মেনে নিলাম। কিন্তু সে আমার কাছে আরও কিছু
চেয়েছিল… ও আমাকে মনে করতে বললো, বিয়ের দিন
আমি তাকে যেভাবে কোলে করে নিয়ে ঘরে ঢুকে
ছিলাম।
ও আমাকে অনুরোধ করলো, যাতে এই একমাস
আমি তাকে প্রতি সকালে কোলে করে আমাদের শোবার
ঘর থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত নিয়ে যাই।
আমি ভাবলাম, ও পাগল হয়ে গেছে। যাই হোক, এই শেষ
সময়ে যাতে আর ঝামেলা না হয়, তাই আমি তার অনুরোধ
মেনে নিলাম।
আমি ফারহানাকে আমার স্ত্রির দেয়া শর্তগুলোর
কথা বলেছিলাম। শুনার পর সে অট্ট
হাসিতে ফেটে পড়লো, যা খুবই অযৌক্তিক
লাগলো আমার কাছে। তখন ফারহানা আমার স্ত্রির
উপর ঘৃণা এবং রাগ নিয়ে বললো, “সে যতই
ছলনা করুক আর মায়া কান্না দেখাক, তাকে ডিভোর্স
নিতেই হবে।”
আমাদের বিবাহবিচ্ছেদের উদ্দেশ্য স্পস্টভাবে প্রকাশ
হওয়ার পর থেকে আমার স্ত্রি এবং আমার মধ্যে আর
কোন শরীরী যোগাযোগ ছিল না। যাই হোক, যেদিন
আমি প্রথম তাকে কোলে তুললাম, তখন আমরা দুজনেই
খুব বিব্রতবোধ করছিলাম। আমাদের ছেলেটা পেছন
থেকে তালি বাজাচ্ছিল আর বলছিল, “আব্বু
আম্মুকে কোলে তুলেছে, কি মজা কি মজা।” ছেলেটার
কথা শুনে কেন জেন আমার খারাপ লাগতে শুরু করলো।
শোবার ঘর থেকে ড্রইংরুম, ড্রইংরুম থেকে বাইরের
দরজা পর্যন্ত আমি ওকে কোলে করে নিয় গেলাম।
সে তার চোখ বন্ধ করলো এবং ফিস ফিস করে বললো,
“আমাদের ছেলেটাকে আমাদের ডিভোর্সের কথাটা
কখনও
জানতে দিওনা।” আমি ওকে দরজার
বাইরে নামিয়ে দিলাম। সে তার কাজে চলে গেল, আর
আমি অফিসে চলে গেলাম।
দ্বিতীয় দিন, আমরা দুজনেই খুব স্বাভাবিক আচরন
করলাম। সে আমার বুকে মাথা রাখলো। আমি তার চুলের
গন্ধ পাচ্ছিলাম। আমার মনে হল, আমি কতদিন এই
মানুষটাকে একটু ভালোভাবে দেখিনি, বুঝার
চেষ্টা করিনি। দেখলাম, ওর কত বয়স হয়ে গেছে।
চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে গেছে… চুলে কাঁচাপাকা রঙ
ধরেছে। কিছু মুহূর্তের জন্য মনে হল আমি তার
সাথে কি করেছি।
চতুর্থ দিন, যখন আমি তাকে কোলে তুললাম, তখন
বুঝতে পারলাম আবার আমাদের অন্তরঙ্গতা ফিরে
আসছে।
এটাই সেই মানুষ, যে তার জীবনের ১০ টা বছর আমার
সাথে পার করেছে। পঞ্চম এবং ষষ্ঠ দিন আমার
আবারো মনে হল যে, আমাদের সম্পর্কটা আবার
বেড়ে উঠছে। আমি এসব বিষয়ে ফারহানাকে কিছুই
বলিনি।
যতই দিন যাচ্ছিল, ততই খুব সহজে আমি আমার
স্ত্রিকে কোলে তুলতে পারতাম। সম্ভবত, প্রতিদিন
কোলে নিতে নিতে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। একদিন
সকালে বাইরে যাওয়ার জন্য সে পছন্দের কাপড়
খুঁজছিল। প্রায় অনেকগুলো কাপড় সে পরে দেখল,
কিন্তু একটাও তার ভালো লাগছিলো না। সে স্থির
হয়ে বসলো এবং দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বললও, “আমার
সব গুলো কাপড় ঢিলে হয়ে গেছে…।” তখন
আমি বুঝতে পারলাম সে অনেক শুকিয়ে গেছে এবং এ
জন্যই আমি তাকে খুব সহজে কোলে তুলতে পারতাম।
হঠাৎ এটা আমাকে খুব আঘাত করলো… সে তার
মনে অনেক কষ্ট চাপা দিয়ে রেখেছে। মনের অজান্তেই
আমি আমি ওর কাছে যাই এবং ওর মাথায় হাত দেই। ঐ
মুহূর্তে আমাদের ছেলেটাও চলে এল এবং বললও, “আব্বু,
আম্মুকে কোলে তুলার সময় হয়েছে।” আমার
স্ত্রি ছেলেটাকে ইশারায় কাছে আসতে বলল
এবং তাকে কিছুক্ষণের জন্য খুব শক্ত
করে জড়িয়ে ধরল। আমি অন্য দিকে তাকালাম, কারণ
আমার ভয় হচ্ছিল, এই শেষ মুহূর্তে জেন আমার
সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর
আমি তাকে কোলে নিলাম। শোবার ঘর থেকে ড্রইং রুম,
ড্রইং রুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত
তাকে নিয়ে গেলাম। সে তার হাত
দিয়ে আলতো ভাবে আমার গলা জড়িয়ে ছিল। আমিও
তাকে খুব হাল্কাভাবে কোলে নিয়ে ছিলাম… ঠিক
জেন
বিয়ের প্রথম দিনের মত।
কিন্তু তার এই এত হাল্কা ওজন আমাকে অনেক কষ্ট
দিয়েছিল… প্রায় অনেক আগে যেদিন
আমি তাকে কোলে নিয়েছিলাম, সেদিন
তাকে নিয়ে কিছু দূর হাটতেই আমার অনেক কষ্ট
হচ্ছিলো। আমাদের ছেলেটা স্কুলে চলে গেছে।
আমি আমার স্ত্রিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললাম,
আমি বুঝতে পারিনি যে, আমাদের
মধ্যে এতটা অন্তরঙ্গের অভাব ছিল। এ কথা বলেই
আমি অফিসে চলে গেলাম। অফিস থেকে ছুটি নিয়েই
বেরিয়ে গেলাম। চলে গেলাম সোজা ফারহানার
বাসায়।
সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উপরে উঠে গেলাম। আমি খুব
তাড়াহুড়ো করছিলাম, ভয় পাচ্ছিলাম যাতে আমার মন
আবার পরিবর্তন হয়ে যায়। ফারহানা দরজা খুলতেই
আমি তাকে বললাম, “ফারহানা, আমাকে মাফ করে
দিও…
আমি আমার স্ত্রির সাথে ডিভোর্স চাইনা।”
ফারহানা আমার দিকে খুব অবাক হয়ে তাকাল এবং
আমার
কপালে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, “আচ্ছা তুমি ঠিক
আছো তো?? তোমার কি জ্বর আসছে??” আমি ওর হাত
আমার কপাল থেকে সরালাম এবং আবারো বললাম,
“ফারহানা, আমি ওকে ডিভোর্স দিতে চাই না।
তুমি পারলে আমাকে মাফ করে দিও। আমাদের
বৈবাহিক
সম্পর্কটা হয়তো বিরক্তিকর ছিল, কারণ
আমরা আমাদের জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মুহূর্ত
গুলোকে মুল্য দেইনি, কিন্তু এর মানে এই
না যে আমরা কখনো একে অপরকে ভালোবাসিনি।
কিন্তু এখন আমি বুঝি যে, যেদিন
আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম, সেদিন
আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যে মৃত্যু পর্যন্ত
আমি তার সাথে থাকবো।” তখন ফারহানা আমাকে খুব
জোরে একটা চড় মারলো এবং আমার মুখের উপর
দরজা লাগিয়ে দিয়ে ভেতরে চিৎকার করে কান্নায়
ভেঙে পড়লো। আমি বাসার নিচে নেমে এলাম
এবং চলে আসলাম। পথেই একটা ফুলের দোকান পেলাম
এবং একটা ফুলের তোড়া কিনলাম আমার স্ত্রির জন্য।
আমাকে দোকানদার জিজ্ঞেস করলো, “স্যার কার্ডের
উপর কি লিখবো?” আমি একটু মৃদু হাসলাম
এবং লিখতে বললাম, “আমি প্রতিদিন
সকালে তোমাকে কোলে নিব… আমার মৃত্যু পর্যন্ত”
ঐ দিন সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফিরি, আমার হাতে ফুলের
তোড়া, আমার চেহারায় সুখের হাসি, আমি সোজা
আমার
শোবার ঘরে চলে যায় এবং দেখি আমার স্ত্রি আর
নেই। সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে… সারা জীবনের
জন্য
চলে গেছে… যেখান থেকে আর কখনো ফেরা সম্ভব না।
আমার স্ত্রির ক্যান্সার ছিল, অথচ
আমি ফারহানাকে নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলাম যে,
এদিকে কোন খেয়ালই করিনি।
সে জানতো যে সা মারা যাচ্ছে… কিন্তু
সে আমাকে বুঝতে দেয়নি, কারণ আমাদের ছেলের
পরীক্ষা ছিল এবং আমাদের ডিভোর্স
হয়েছে এটা জানলে আমাদের ছেলেটার মন-
মানষিকতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
সে মারা গেলে আমাদের আর
আলাদা হয়ে বেঁচে থাকতে হবে না। সে আমার ছেলের
কাছে প্রমান করে দিয়ে গেল, আমি খুব
ভালো স্বামী ছিলাম, যে তার স্ত্রির অনেক খেয়াল
করতো।
সম্পর্কের এই ছোট ছোট ব্যাপারগুলো আসলেও অনেক
গুরুত্বপূর্ণ। এই বড় রাজপ্রাসাদ, গাড়ি, সম্পত্তি,
টাকা এগুলো সব কিছুই ভালো থাকার পরিবেশ
তৈরি করে কিন্তু নিজেরা কোন সুখ দিতে পারে না।
তাই কিছু সময় বের করুন আপনার স্বামী বা স্ত্রির
জন্য। তার বন্ধু হন। এবং কিছু কিছু ছোট ছোট
মুহূর্ত তৈরি করুন যা আপনাদের সম্পর্ককে আরও
কাছের করবে। কারণ, এটাই সত্য “পরিবার
পৃথিবীতে সব চাইতে দামি।” আপনি যদি এখন কোন
সম্পর্কতে নাও থাকেন, তারপরেও দ্বিতীয় বারের মত
অথবা তার চাইতেও বেশী চিন্তা করুন, কারণ
এখনো দেরী হয়ে যায় নি… এখনো অনেক সময় আছে।

তুমি যার কান্না
মুছে দেবে
সেই তোমার কান্নার
কারণ হবে,
তুমি যার জীবনটাকে
গুছিয়ে দেবে
সেই তোমার জীবনটাকে
এলোমেলো করে দেবে,
আর এটাই নির্মম সত্যি..

আমি যখন জন্ম হয়ে এই
পৃথিবীতে এসেছিলাম মায়ের কোলে তখন
আমি খুব কেঁদেছিলাম আর আমার
পাশে সকলে আমাকে পেয়ে সকলে হেসেছিলো…..
আমি যখন এই পৃথিবী থেকে বিদায়
নেবো আমি খুব হাসি মুখে থাকবো আর
আমার পাশে সবাই কাঁদবে অঝোর
নয়নে…..

একটা সময় ছিল যখন পাগলেরমতো এক জন
কে ভালবাসতাম। কিন্তু ভালবাসা পাইনি, শুধু
পেয়েছি অভিনয় … তবুও নিজের কষ্ট
কে বুকে চেপে রেখে পাশে ছিলাম আমার
ভালবাসার। নিঃস্বার্থ ভাবে এখনও
পাশে আছি। কিন্তু যখন তারকাছে আমার
থেকেও বেশী আপনঅন্য কেউ হয়ে যায়, সেই
কষ্ট কি করে ধরে রাখবো ? যার জন্য সব
কিছু করি আজ তার কাছে’ই মূল্য নেই। সব
কিছু সত্যি আজ বড় অর্থহীন মনে হচ্ছে।
মনে হচ্ছে আমার সব স্বপ্ন ছিলশুধু ই
দুঃস্বপ্ন ……..

বাগানে নতুন ফুল
ফুটলে যেমন
আগের ফুলের
কথা ভুলে যায়,…
তেমনি আজকাল
নতুন বন্ধু
পেলে কিছু মানুষ
আগের সে বন্ধুর
কথা ভুলে যায়………

জীবনের রাস্তায়
একা একা হেঁটে যাওয়া কঠিন কাজ নয়,
কিন্তু কারো হাত ধরে অনেকটা পথ
এগিয়ে যাবার পর সেখান
থেকে একা একা ফিরে আসা খুব
কঠিন…………..

মনটা দিলাম তোমার হাতেযতন
করে রেখো,,হৃদয় মাঝে ছোট্ট করে আমার
ছবি এঁকো..স্বপ্ন গুলো দিলাম তাতে আরও
দিলাম আশা,, মনের মতো সাজিয়ে নিও
আমার ভালবাসা…

আপনি যেমনই হন না কেন আপনার মত
পৃথিবীতে আর দ্বিতীয় কেউ কোথাও
নেই। পৃথিবীকে দেবার মতন আপনার
কাছে এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাই
নিজেকে অহেতুক অন্যের চেয়ে ছোট
না ভেবে নিজের মত করে বাঁচুন
এবং আনন্দে থাকুন।জীবন তো একটাই …
গেইমের মত পুনরায় লাইফ পাবার সুযোগ
নাই … তাই এই এক জীবন
থেকে যতবেশি সম্ভব
মজা নিয়ে নেন … যাতে কোন
আফসোস না থাকে …
একটা কথা মনে রাখবেন আপনার মন
খারাপ
করে থাকা বা দুঃখে থাকা তে পৃথিবীর
কারো কিছু যাবে আসবে না …বরঞ্চ
আপনার লস হবে কারন আপনি মন খারাপ
করে থেকে নিজের অতিবাহিত সময়ের
আনন্দ গুলকে মিস করেছেন …
আমার একটাই থিওরি ” অন্যের
ক্ষতি না করে লাইফটাকে ইচ্ছা মত এনজই
করা উচিত……কোন কিছুর জন্য আফসোস
না করে যা আছে তা নিয়েই লাইফ
থেকে সর্বোচ্চ মজা আদায়
করে নেওয়া উচিত…”
উপদেশ দিতে কার
না ভালোলাগে তাই
দিয়ে দিলাম …নিজের পাণ্ডিত্য
দেখানোর জন্য নয় আপনাদের
বিবেকে নাড়া দেওয়ার জন্য …

পৃথিবী থেকে চাঁদ অনেক দূরে,
কিন্তু , চাঁদ টা পুরো পৃথিবীতেই আছে ।
ঠিক তেমন ই আমার থেকে তুমি অনেক
দূরে,
কিন্তু , আমার ভালোবাসা সারাক্ষণ
তোমার সাথেই
আছে ।

তোমাকে ভালবাসতাম,
বোধকরি এখনো বাসি
সে দীপশিখাটি নিভেনি আজো, অবশ্য
এটা আমার ভেতর এখন
এতো শান্তভাবে জ্বলছে যে
তোমার বিব্রত বোধ করার কোনো কারণ
নেই
নীরবে প্রতিদানহীনভাবে
তোমাকে চেয়েছিলাম
খুব ঈর্ষা হতো কখনো, কখনো শরমিন্দা
ঈশ্বর যেন তোমাকে এমন একজন
মিলিয়ে দেন
যে তোমাকে ভালবাসবে ঠিক আমারই
মতো
সন্তর্পণে ও বিশ্বস্ততায়।

আজও আমি বসে আছি কিসের টানে
সব কিছু মনে রাখি কি কারনে
কত কথা কত ব্যাথা
আমার মনে
জড় হয়ে ঝরে পরে আমার গানে ।

একটা ছেলে একটা মেয়েকে বন্ধু
ভাবে আর
মেয়েটি ছেলেটিকে ভালোবাসে।
এখন বন্ধুত্বের
কাছে কী ভালোবাসা হেরে যাবে,
নাকি ভালোবাসার কাছে কাছে বন্ধুত্ব
হেরে যাবে….?
আনসার মি।।।।।।

যত দুরে যাও না কেন,
থাকবো তোমার পাশে… যেমন
করে বৃষ্টিফোটা,
জরিয়ে থাকে ঘাসে ।
সকল কষ্ট মুছে দেব,
দেব তোমার হাসি………..
হৃদয় থেকে বলছি, তোমায় অনেক
ভালোবাসি।

মেঘ বলেছে ‘যাব যাব’, রাত
বলেছে ‘যাই’
সাগর বলে ‘কূল মিলেছে-আমি তো আর
নাই’ ।।
দুঃখ বলে ‘রইনু চুপে তাঁহার পায়ের
চিহ্নরূপে’,
আমি বলে ‘মিলাই আমি আর কিছু
না চাই’ ।।
ভূবন বলে ‘তোমার তরে আছে বরণমালা
গগন বলে ‘তোমার তরে লক্ষ প্রদীপ
জ্বালা’ ।
প্রেম বলে যে ‘যুগে যুগে তোমার
লাগি আছি জেগে’,
মরণ বলে ‘আমি তোমার জীবনতরী বাই’ ।।

কারো সাথে অভিমান
করতে হলে তাঁর উপর
অন্তত
একটা অধিকার
থাকা লাগে।
না হলে সে কখনোই
তোমার অভিমান
ভাঙ্গাতে আসবে না।
কিন্তু আমি সেটা ভুলে গেছিলাম।
ভুলে গেছিলাম দুই
দিনের কথা বলায়
কারো উপর
কোনো অধিকার
তৈরী হয় না।
যেটা তৈরী হয়
সেটা শুধু মাত্র
একটা মনুষত্ব
ছাড়া আর কিছুই না।

একদিন তুমি বুঝবে,
আর অবাক হয়ে বলবে,
“এতোটাই ভালোবাসো তুমি আমাকে!”
সেদিন আমি বলবো…
“এর চেয়েও অনেক বেশি,
ভালোবাসি তোমায়।”

আমরা যখন কোন কারন ছাড়াই
একা একা হাসি মানুষ
তখন অনেকটা পাগল
মনে করে আমাদের
কিন্তু,
তারা জানেনা যে এই হাসিটার ভিতর
কতটুকু
ভালবাসা জড়িয়ে আছে কোন এক
মানুষের জন্যে…।

খুব বুদ্ধিমান মানুষের সঙ্গে গল্প করার
মধ্যেও এক ধরণের অসস্থি থাকে।
নিজেকে খুব তুচ্ছ মনে হয়।
— হুমায়ূন আহমেদ

কি অদ্ভুত তুমি !!!!
ব্যথা দিয়ে বলো, ব্যাথা পেয়েছ ?
কাঁদিয়ে বলো, কাঁদছো কেন?
হাঁসিয়ে বলো, হাঁসছ কেন?
আমি কিছুই বলি না…….
কাছে টেনে বলো, কাছে এসো না!!
প্রশ্ন করে বলো, কথা বলবে না!!
পাশে বসে বলো, দূরে যাও না
ফোন করে বলো, রাখছি এখন
আমি কিছুই বলি না…….
হাতে ঘড়ি নিয়ে বলো, কয়টা বাজে?
ফুলে শুঁকে বলো, ফুল ভাল না!!
কাঁধে কাঁধ রেখে বলো, তুমি ভাল না
ঘুম ঘুম চোখে বলো, ঘুম আসে না ।
আমি কিছুই বলি না..
কি উন্মাদ তুমি !!!

পাগলি রে তোকে খুব
ভালোবাসি,ইচ্ছে করে সব
বাধা পেরিয়ে,তোকে এক পলক
দেখে আসি,তুই কোথায় একটু বলবি?
পাগলি তোকে খুব মিস করছি,তোর
কি আমাকে একটুও মনে পড়ে না?

তুমি যদি কাউকে ভালোবাস,
তবে তাকে ছেড়ে দাও।
যদি সে তোমার কাছে ফিরে আসে,
তবে সে তোমারই ছিল। আর
যদি ফিরে না আসে, তবে সে কখনই
তোমার ছিল না।
—– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাউকে নিজের পৃথিবী ভেবো না,
মনে রেখো একদিন তার,
অনুপস্থিতিতে তোমার পৃথিবীটা ,
অর্থহীন মনে হবে ।
তখন হাজারো মানুষের,
মাঝে থাকলেও,
নিজেকে বড় একা লাগবে ।
যে পৃথিবীটা তোমার সুখের ছিলো,
তা হয়ে যাবে নীলিব বেদনাময়,
যেখনে তোমার যন্ত্রণা তোমাকেই
জ্বালাবে,
সে দিন তোমার জন্য কেউ পুড়বে না ।

“জীবনে দুটো জিনিস খুবই কষ্টদায়ক।
একটি হচ্ছে,যখন তোমারভালোবাসার মানুষ
তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু
তা তোমাকে বলে না ।আর
অপরটি হচ্ছে,যখন তোমার
ভালোবাসারমানুষ
তোমাকে ভালোবাসেনা এবং সেটা তোমাকে সরাসরি বলেদেয়””

একদিন বৃষ্টিতে বিকেলে
থাকবেনা সাথে কোন ছাতা
শুধু দেখা হয়ে যাবে মাঝ রাস্তায়
ভিজে যাবে চটি, জামা মাথা
থাকবেনা রাস্তায় গাড়িঘোড়া
দোকানপাট সব বন্ধ
শুধু তোমার আমার হৃদয়
ভিজে মাটির সোঁদা গন্ধ
একদিন বৃষ্টিতে বিকেলে
মনে পড়ে যাবে সব কথা কথা
দিয়ে কথাটা না রাখা
ফেলে আসা চেনা চেনা ব্যথা….!!

তোমার কানের দোল হইতাম যদি,
কানে কানে প্রেমের কথা কইতাম
আমি।
হইতাম যদি তোমার নাকের ফুল,
ইচ্ছে করে বারে বার করিতাম ভুল।
তোমার গলের মালা যদি হইতাম,
সারাক্ষণ তোমার বুকেতে থাকতাম।
হইতাম যদি তোমার হাতের চুড়ি,
থাকিতাম তোমার হাতটি ধরি।
তোমার কোমরের বিছা যদি হইতাম,
সারাক্ষণ
তোমারে জড়াইয়া রাখিতাম।
হইতাম যদি তোমার পায়ের নূপুর,
বাজিতাম সারাক্ষণ রুনুর ঝুনুর।
তুমি হয় যদি আমার,
কিছুই আর নাইকো চাওয়ার

ছোট্ট বেলায় অভিমান করলে অনেক
কিছু পেতাম,আর
এখন
অভিমান করলে অনেক কিছু
হারাই..কারণ তখন
ভালবাসা ছিল পূর্ণতা,
আর এখন ভালবাসা পায় শূন্যতা…..!
অপ্রিয় হলেও সত্য…

আমি দাড়াবনা আর কখনো তোমার পথ আগলে,
আমি চলে গেছি তোমার থেকে অনেক দূরে,
তুমি আর জানতে চেওনা আমি কেমন আছি,
দূর থেকে শুধু বলে যাব “আজো তোমায়
ভালোবাসি”

ভালোবাসা ফুরিয়ে যায়,
গল্পগুলো রয়ে যায়
একটাই আকাশ,
একটাই চাঁদ,
তুমি ও দেখছ,
আমি ও দেখছি ..
১টা পৃতিবীতে আমরা দু’জন, অথছ
কেউ
কাউকে দেখছি না ..
তাহলে কার দুরত্ব
বেশি ??
তোমার-আমার,
নাকি ঐ চাঁদের ??

আমি তো ঋতু নয়,
যে বদলে যাবো ।
আমি তো আঁকাশ নয়,
যে রং পাল্টাবো ।
আমি তো ফুল নয়,
যে শুকিয়ে যাবো ।
আমি তো তোমার সেই বন্ধু,
যে তোমাকে সব সময়
মনে রাখে । তুমি আমাকে ভুলে গেলেও,
আমি ভুলে যেতে পারবো না তোমাকে।

দেখতে দেখতে কীভাবে যে একটা বছর
কেটে গেল একা একা টেরই পেলাম না!
একা থাকার
যন্ত্রনাটা বুঝতে পেরেছিলাম কিন্তু আজ
আমি অভ্যস্ত একা থাকতে! এখন
একা থাকতেই ভালোলাগে!…আর
চাইনা কাউকে কোনোদিন নিজের
জীবনের সাথে জুড়তে..আজ আমার জীবন
শূণ্য..শুধু এখন নিজের জন্যই বাঁচি।।
যদিও শূণ্যতা গ্রাস করেছে এ জীবন..তবুও
শেষ একটা কথা…
‘তোমায় ছাড়া আমি ভালোআছি কিন্তু
এখনও ভালোবাসি তোমায়,,যদিও
দেখাতে ভয় পাই’…….

ভুল করে যদি,,,
কোন ভুল হয়ে থাকে,,,
তাহলে ভুল মনে করে,,,
ভুলে যেও…
তবে ভুলে যেও শুধু ভুল কে.. ভুল
করে ভুলে যেওনা আমাকে !!!

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কিছু সত্য হল…
০১) আপনি এমন কাউকে ভালবাসেন
যে আপনাকে শুধু ই ঘৃণা করে…
০২) আপনি এমন কাউকে মিস করেন
যে আপনাকে মিস করার সময় খুঁজে পায় না…
০৩) আপনি এমন কাউকে ভাবেন যার
কল্পনাতেও আপনার কোন অস্তিত্ব নেই…
০৪) আপনি এমন কারো জন্য কাঁদেন যার
কিনা আপনার এক ফোঁটা চোখের জল
মুছে দেয়ার সময় পর্যন্ত নাই…
তবে সব থেকে কষ্টের মুহূর্ত হয় তখন –
যখন আপনি এমন কাউকে এত
বেশি ভালবাসেন যে অন্তত একটা বার
একটা মুহূর্তের জন্য হলেও ভুল করে হলেও
আপনাকে একটু ভালবাসার প্রয়োজন অনুভব
করে না…. !!